বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪

Modi: '২০২৪ এ আরও বড় জয় পেতে চলেছে বিজেপি', মথুরাপুরে আত্মবিশ্বাসী মোদী - Bengali News

Modi: ‘২০২৪ এ আরও বড় জয় পেতে চলেছে বিজেপি’, মথুরাপুরে আত্মবিশ্বাসী মোদী

Modi: '২০২৪ এ আরও বড় জয় পেতে চলেছে বিজেপি', মথুরাপুরে আত্মবিশ্বাসী মোদী - Bengali News
Modi: '২০২৪ এ আরও বড় জয় পেতে চলেছে বিজেপি', মথুরাপুরে আত্মবিশ্বাসী মোদী - Bengali News


লোকসভা নির্বাচনের শেষ দফা ভোটের আগে রাজ্যে পর পর দু’দিন ঠাসা কর্মসূচি ছিলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Modi)। মথুরাপুরে সভা ছিলো মোদীর। তারপর সেখান থেকে তিনি যান কাকদ্বীপে। শেষ দফা ভোটের প্রচারে মোদী নিজের কেন্দ্রে সময় না দিয়ে এসেছেন বাংলায়। মথুরাপুরে অশোক পুরকাইত, জয়নগরে অশোক কান্ডারী এবং ডায়মন্ড হারবারে অভিজিৎ দাসকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। তাঁদের সমর্থনে কাকদ্বীপে সভা করছেন মোদী। এর আগে প্রধনমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পা রেখেছিলেন এই কাকদ্বীপ এর মটিতে। মোদী কী কী বললেন, দেখে নিন এক নজরে…

৪ জুনের পর আগামী ৬ মাসে গোটা দেশে রাজনৈতিক ভূমিকম্প হতে চলেছে

অনুপ্রবেশকারীরা আপনাদের জমি জায়গা দখল করে নিয়েছে। তৃণমূল CAA নিয়ে মিথ্যা,ভুল রটাচ্ছে মানুষের মধ্যে, কারণ তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দিতে চায়। তৃণমূল হিন্দু, মতুয়া সমাজের লোকেদের এখানে রাখতে দিতে চায় না। কিন্তু চিন্তা করবেন না। ৪ জুনের পর তৃণমূলের হাওয়া বেরিয়ে যাবে। সমস্ত মতুয়া সমাজ, নমশূদ্র সমাজকে অধিকার পাইয়েই ছাড়ব, এটা মোদীর গ্যারান্টি। ভারতের সব শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব মিলবে। ৪ জুনের পর আগামী ৬ মাসে দেশে বড় রাজনৈতিক ভূমিকম্প আসতে চলেছে। এই পরিবারতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল ধ্বংস হয়ে যাবে। ওদের নেতা কর্মীরাও হাঁপিয়ে গিয়েছে। দেশ কোথায় যাচ্ছে, আর দল কোথায় যাচ্ছে, ওদের কর্মীরা দেখতে দেখতে হাঁপিয়ে গিয়েছে।

Modi: '২০২৪ এ আরও বড় জয় পেতে চলেছে বিজেপি', মথুরাপুরে আত্মবিশ্বাসী মোদী - Bengali News
Modi: '২০২৪ এ আরও বড় জয় পেতে চলেছে বিজেপি', মথুরাপুরে আত্মবিশ্বাসী মোদী - Bengali News


শংসাপত্র ইস্যুতে মোদীর নিশানায় তৃণমূল

তৃণমূলের একটাই এজেন্ডা। ওদের সব কিছুতে কাটমানি চাই। তৃণমূল সাধু সন্ন্যাসীদেরও ছাড়ছে না। তৃণমূল ইস্কন, রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের মতো সংস্থাকেও গালি দিচ্ছে। রামমন্দির আমাদের কাছে আস্থার কেন্দ্র। তৃণমূল পার্টির লোক রামমন্দিরকে অপবিত্র বলে ছে। এইভাবে তৃণমূল বাংলার সংস্কৃতি রক্ষা করতে পারছে না। তৃণমূল তুষ্টিকরণের জন্য দেশের সংবিধানেও হামলা করেছ। আমাদের সংবিধান দেশের দলিত, পিছিয়ে থাকা মানুষদের জন্য সংরক্ষণ দিয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের শাসনকালে সেই সংরক্ষণেও লুঠ হচ্ছে। মুসলমানদের OBC সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের অনগ্রসর শ্রেণির মানুষদের অধিকার ছিনিয়ে মুসলিমদের OBC সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। কলকাতা হাইকোর্ট  এই শংসাপত্র বাতিল করে দিয়েছে। তৃণমূল এই নির্দেশ অমান্য করতে পারে না। ভুল রটাচ্ছে। একবার ভেবে দেখুন তুষ্টিকরণের জন্য এরা কোন সীমায় পৌঁছাতে পারে। ১ জুন আপনার ভোট এই মারাত্মক চিন্তাভাবনাকে আটকাবে। আমরা নতুন  যাত্রা শুরু করব।

মোদী বলেছেন তৃণমূলের এখন একটাই হাতিয়ার ‘এটা হতে দেব না’

তৃণমূলের কাছে এখন একটাই হাতিয়ার বেচে রয়েছে। ওদের এখন একটাই হাতিয়ার, ‘এটা হতে দেব না।’ আমরা মহিলাদের সুরক্ষার জন্য হেল্পলাইন বানিয়েছিলাম। তৃণমূল বলল, এটা হতে দেব না। আমরা দেশের সব মহিলাকে উজালা সিলিন্ডার দিচ্ছি। বাংলার এই তৃণমূল সরকারের জন্য লক্ষ্য লক্ষ্য আবেদন ঝুলে রয়েছেন। তৃণমূল সরকার বলছে, এটা হতে দেব না। মোদী প্রত্যেক গরিবকে বিনা পয়সায় চিকিৎসার সুবিধা দিচ্ছে। ৭০ বছরের বেশি বয়স্ক মানুষের চিকিৎসা বিনা পয়সায় হবে। কিন্তু তৃণমূল বাংলায় আয়ুস্মান যোজনা করতে দিচ্ছে না। বলছে, এটা হতে দেব না। তৃণমূলের জন্য এখানকার মৎস্যজীবীদের বড় লোকসান হচ্ছে। কেন্দ্র সরকার মৎস্যজীবীদের জন্য এত যোজনা চালাচ্ছে, ফিশারম্যানদের কিষান ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, ২০ হাজার কোটি টাকার ফান্ড দিয়েছে, কিন্তু তৃণমূল বলছে, এটা হতে দেব না। তৃণমূল বাংলায় ফিশিংয়ের আইন জারি হতে দিচ্ছে না। বিমা মিলছে না ওদের।

বিকশিত বাংলা গড়তে পুরো ক্ষমতা লাগিয়ে দেব, বললেন মোদী

৪ কোটি গরিবকে পাকা ঘর বানিয়ে দিয়েছি। ১২ কোটি বাড়িতে জল, সব গ্রামে বিদ্যুৎ। ভারত এখন বিকশিত ভারতের পথে। আগামী পাঁচ বছরে সোনার ভারত গড়ার ক্ষেত্রে নির্ণায়ক শক্তি হতে হবে। বিকশিত ভারতের জন্য বিকশিত বাংলার নির্মাণ জরুরি। এটা তখনই সম্ভব, আপনারা এমন সাংসদ নির্বাচন করবেন, যিনি দেশের কাজ করবেন। আমাকে বেশি করে বিজেপির সাংসদ নির্বাচিত করে দিল্লিতে পাঠান, আমি ভরসা দিচ্ছি, বিকশিত বাংলা হবেই। আমার সমস্ত ক্ষমতা লাগিয়ে দেব।

পরিবারতন্ত্র রাজনীতিকে কটাক্ষ মোদীর

আপনারা দশ বছরের বিকাশ যাত্রা দেখেছেন। দেশের কোটি গরিব জীবনের ন্যূনতম সুবিধা পেতেন না। না খেয়ে মৃত্যু হত। কোটি মানুষের মাথায় ছাদ ছিল না, মহিলাদের জন্য শৌচালয় ছিল না। সব থেকে বড় দুর্ভাগ্য ছিল, এই সমস্যা মেটানোর জন্য চেষ্টাও হত না। পরিবারতন্ত্র  রাজনীতি মানুষকে শেষ করে দিয়েছে। যে দেশের স্বাধীনতা আমাদের সঙ্গে হয়েছিল, তারা আজ কোথায় পৌঁছে গিয়েছে? আমাদের কাছে এত যুব শক্তির সম্পদ রয়েছে, কিন্তু আমরা পিছিয়ে পড়ছিলাম। ভারত এখন এগিয়ে চলেছে। গোটা বিশ্ব দেখছে। গোটা বিশ্বে ভারতের ডঙ্কা বাজছে।

‘জনতাই বলছে, বিজেপির জয় এবার কতটা জোরদার হতে চলেছে’

আপনাদের এই উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছে, বিজেপির জয় কতটা শক্তিশালী হতে চলেছে। আমাকে বলা হয়েছে, পরশু ঘূর্ণিঝড়ের কারণে এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে। মঞ্চ বানানোর সমস্যা ছিল। শেষ মুহূর্তে আপনারা খোলা আকাশের নীচে জড়ো হয়েছেন। এত কম সময়ে, এত বড় সভার আয়োজন মুখের কথা নয়। আপনাদের ধন্যবাদ। কাল সন্ধ্যায় কলকাতার মানুষ রোড শোতে যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা মাথায় তুলে রাখব। আমি সেই দৃশ্য কখনও ভুলব না। চব্বিশের এই নির্বাচনে বাংলায় এটাই আমার শেষ সভা। এরপর ওড়িশা চলে যাব। কাল পঞ্জাবে থাকব। কালকের মধ্যে প্রচার শেষ।


শনিবার, ২৫ মে, ২০২৪

Bangladesh : বাংলাদেশের সাংসদ খুনে CID'র ফাঁদে ১। বডি 'পিস পিস' করার জন্য কসাই আনা হয় মুম্বাই থেকে

বাংলাদেশের সাংসদ খুনে CID'র ফাঁদে ১। বডি 'পিস পিস' করার জন্য কসাই আনা হয় মুম্বাই থেকে

Bangladesh : বাংলাদেশের সাংসদ খুনে CID'র ফাঁদে ১। বডি 'পিস পিস' করার জন্য কসাই আনা হয় মুম্বাই থেকে
Bangladesh : বাংলাদেশের সাংসদ খুনে CID'র ফাঁদে ১। বডি 'পিস পিস' করার জন্য কসাই আনা হয় মুম্বাই থেকে

গুগল নিউস ইন্ডিয়া ওয়েব : বাংলাদেশের (Bangladesh) সাংসদ খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্তে বিস্ফোরক তথ্য সামনে উঠে এলো। ভারাতের মুম্বাই থেকে কসাই এনে কেটে টুকরো টুকরো করা হয়েছিল বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিম আনার-এর দেহ। সিআইডি তদন্তকারীদের হাতে উঠে এলো এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। এরই মধ্যেই মুম্বাইয়ের এক কসাই জাহির হাওলাদার।


এরই মধ্যে মুম্বাইয়ের ওই কসাই জাহির হাওলাদার কে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। বাংলাদেশের সাংসদ তথা আওয়ামি লীগের সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের দেহ টুকরো করার জন্য কলকাতার নিউটাউন এর ফ্ল্যাটে আনা হয়েছিল ওই কসাইকে। বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুলকে নিউটাউনের ফ্ল্যাটে ডাকা হয় হানিট্র্যাপ এর মাধ্যমে। সেখানে ওই সাংসদকে খুন করে তারপর কসাই ডেকে টুকরো টুকরো করা হয় তাঁর দেহ।


তদন্তকারীরা মনে করছেন খুন করার পর তার দেহের অংশগুলো ব্যাগে ভর্তি করে বাসে, ট্রামে ও ক্যাবে করে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর দেহের অংশগুলি ছড়িয়ে দেওয়া হয় কলকাতার বিভিন্ন জায়গায়,। প্রমাণ লোপাট করতে শরীর থেকে তুলে ফেলা হয় চামড়া। হাড় আলাদা করে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয় দেহ। এখনো পর্যন্ত দেহের কোন অংশই উদ্ধার করা যায়নি। ইতিমধ্যেই ক্যাব চালকে সন্দেহের বসে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য পেয়েছে সিআইডি।


Bangladesh : বাংলাদেশের সাংসদ খুনে CID'র ফাঁদে ১। বডি 'পিস পিস' করার জন্য কসাই আনা হয় মুম্বাই থেকে
Bangladesh : বাংলাদেশের সাংসদ খুনে CID'র ফাঁদে ১। বডি 'পিস পিস' করার জন্য কসাই আনা হয় মুম্বাই থেকে


জানা গিয়েছে যে, মৃতদেহের টুকরো পোলেরহাট থানার ভাঙ্গরের একটা খালে ফেলা হয়েছিল কিনা তা জানতে বৃহস্পতিবার সেখানে সিআইডি (Central Investigation Department) টিম যায়, সাথে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ওই কসাইকে। কিন্তু কোন দেহাংশ উদ্ধার হয়নি ওই জায়গা থেকে। এরই মধ্যে আখতারুজ্জামান শাহীন নামের এক ব্যক্তির নাম সামনে আসছে।


বাংলাদেশের লোক  হলেও তাঁর নাগরিকত্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। খুন হওয়া সাংসদের পরিবারের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল বলে জানা যাচ্ছে, সেই সম্পর্কের অবনতি হতেই কি এমন মর্মান্তিকভাবে খুন করা হলো বাংলাদেশী সাংসদ কে? প্রশ্ন উঠছে। ৫ কোটি টাকার সুপারি দিয়ে পুরো পরিকল্পনা করা হয়েছিল তার মধ্যে ২ কোটি টাকা কসাইকে দেওয়া হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। 


যদিও আক্তারুজ্জামান শাহীন নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে তিনি জানান, “আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। ঘটনার সময় বাংলাদেশে ছিলাম। পাসপোর্ট দেখলেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।” কি কারনে এই হত্যা? সেটাই ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের


শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

Lottery Ticket : মাত্র ৩০ টাকার লটারিই ফেরাল সবজি বিক্রেতার ভাগ্য

Lottery Ticket : ১৮ বছর বয়স থেকে করা নেশার জেরেই বাজিমাত! ৩০ টাকার লটারিই ফেরাল সবজি বিক্রেতার ভাগ্য


গুগল নিউজ ইন্ডিয়া ওয়েব : লটারি টিকিট (Lottery Ticket) কেটে অনেক ভাগ্যবান মানুষের ভাগ্যের চাকাই ঘুরে যায়। তবে সবার ভাগ্যের চাকা তো আর ঘোরে না। তবে এক বাঙালি সবজি বিক্রেতার জীবন পাল্টে গেল একটা লটারি টিকিট কেটে। মাত্র ৩০ টাকার লটারি (Lottery) কেটে পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটের বাসিন্দা বিশ্বনাথ এখন কোটিপতি। বিশ্বনাথ দাস হলেন পেশায় সবজি বিক্রেতা। তিনি বালুরঘাট শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বট কৃষ্ণপল্লী এলাকার অনেকদিনের বাসিন্দা। লটারিতে কোটি টাকার জেতার খবর প্রথমে বিশ্বনাথ বিশ্বাসই করতে পারেনি।


Lottery Ticket : মাত্র ৩০ টাকার লটারিই ফেরাল সবজি বিক্রেতার ভাগ্য
Lottery Ticket : মাত্র ৩০ টাকার লটারিই ফেরাল সবজি বিক্রেতার ভাগ্য


লটারি টিকিট জেতা এই সবজি বিক্রেতা রীতিমতো আতঙ্কিত একসাথে এতগুলো টাকা পেয়ে। এতগুলো টাকা যে তিনি লটারি টিকিট জিতে পাবেন তা কল্পনাও করেননি কখনো। লটারি থেকে জেতা অর্থ দিয়ে বিশ্বনাথ তার সন্তানদের পড়াশোনা করাবেন বলে মনস্থির করেছেন। এছাড়াও বিশ্বনাথ অর্থ দিয়ে একটি পাকা বাড়ি তৈরি করার পরিকল্পনা করেছেন। লটারি টিকিট থেকে কোটি টাকা জেতার খবর কাউকে জানাননি বিশ্বনাথ।


তবে গত বৃহস্পতিবার এলাকায় মাইকিং করায় বিশ্বনাথের এই লটারি জেতার খবর ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকা় জুড়ে। সবজি বিক্রি করে অত্যন্ত দারিদ্রতায় সংসার চলে তার। বিশ্বনাথের স্ত্রী ও ছেলে মেয়ে রয়েছে। বাজারে সবজি বিক্রি করে প্রতিদিন ২০০ টাকা রোজগার করতে কাল ঘাম ছুটে যায় বিশ্বনাথ দাসের। বিশ্বনাথের স্ত্রী লোকের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। বিশ্বনাথ জানিয়েছেন, তিনি ১৮ বছর বয়স থেকে লটারি টিকিট কেটে আসছেন। লটারি কাটা তার কাছে একরকম নেশার মতো।


Lottery Ticket : মাত্র ৩০ টাকার লটারিই ফেরাল সবজি বিক্রেতার ভাগ্য
Lottery Ticket : মাত্র ৩০ টাকার লটারিই ফেরাল সবজি বিক্রেতার ভাগ্য


অভাবের সংসারে বিশ্বনাথ এভাবে লটারি টিকিট (Lottery Ticket) কাটতেন বলে মাঝেমধ্যে অশান্তিও হত। তবুও লটারি কাটার নেশা ছাড়তে পারেননি বিশ্বনাথ। বুধবার রাতে বিশ্বনাথ সবজি বিক্রি করে বাড়ি ফেরার পথে ৩০ টাকা দিয়ে লটারি টিকিট কাটেন পাওয়ার হাউজ এলাকার রোহিত চৌধুরী নামে এক লটারি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে। সেই লটারিই বিশ্বনাথের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিলো। এই ৩০ টাকার লটারি কেটেই সবজি বিক্রেতা বিশ্বনাথ এখন কোটিপতি।


সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪

SSC Recruitment Scam: কাকে টাকা দিয়েছেন? কত দিয়েছেন? এবার সামনে আরও বড় কোনো নাম? SSC মামলায় তোলপাড়

কাকে টাকা দিয়েছেন? কত দিয়েছেন? এবার সামনে আরও বড় কোনো নাম? SSC মামলায় তোলপাড়


এসএসসি মামলায় (SSC Recruitment Scam) এবার কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। ‘অযোগ্য’ শিক্ষকদের এবার তলব করতে শুরু করল এজেন্সি। ‘মেধা তালিকায় নাম নেই’, ‘পরীক্ষায় বসেন নি’, ‘কোথাও নাম নেই, কীভাবে চাকরি পেলেন?’, ‘কাকে টাকা দিলেন?’, এবার এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ‘অযোগ্য’দের তলব গোয়েন্দাদের।

SSC Recruitment Scam: কাকে টাকা দিয়েছেন? কত দিয়েছেন? এবার সামনে আরও বড় কোনো নাম? SSC মামলায় তোলপাড়
SSC RECRUITMENT SCAM

সূত্রের খবর, পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ও বেতন পাওয়ার নথি-সহ এদিকে সিবিআই এর দফতর নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে ‘অযোগ্য’দের।
জানা যাচ্ছে, তালিকা ধরে নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে প্রায় ৪৩২৭ জন ‘অযোগ্য’কে। অযোগ্যদের মোট ৬টি তালিকা সিবিআইয়ের কাছে রয়েছে। সবকটি তালিকা থেকেই বেশ কয়েকজনকে তলব করা হয়েছে। একেই এসএসসি মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়েছে রাজ্যের। তারই মাঝে এবার সিবিআই এর পদক্ষেপে নতুন করে শাসকদলের বিড়ম্বনা বাড়তে চলেছে এমনটাই মনে করা হচ্ছে।

SSC Recruitment Scam: কাকে টাকা দিয়েছেন? কত দিয়েছেন? এবার সামনে আরও বড় কোনো নাম? SSC মামলায় তোলপাড়
SSC RECRUITMENT SCAM

সিবিআই সূত্রে খবর, উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) যাচাইকারী সংস্থা নাইসা থেকে তারা যে হার্ড ডিস্ক উদ্ধার করেছিল, সেখানেই রয়েছে কারা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন, কাদের ওএমআরে ম্যানুপুলেশন হয়েছে সেই সবের পূর্ণ তালিকা রয়েছে। সেই তালিকা থেকেই এবার ‘অযোগ্য’দের জেরা করতে শুরু করল কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

SSC Recruitment Scam: কাকে টাকা দিয়েছেন? কত দিয়েছেন? এবার সামনে আরও বড় কোনো নাম? SSC মামলায় তোলপাড়
SSC Recruitment Scam

গত এপ্রিল মাসে নিয়োগ দুর্নীতির জেরে SSC ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে চাকরি যায় ২৫৭৫৩ জনের। যদিও পরে সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। যোগ্য-অযোগ্য মিলিয়ে আপাতত সবার চাকরি বহাল রাখলেও হাইকোর্টের নির্দেশে অযোগ্যদের খুঁজতে CBI তদন্তের নির্দেশের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ করে নি সর্বোচ্চ আদালত। সেই ইস্যুতেই এদিন অ্যাকশনে সিবিআই। প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির জেরেই গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ বহু নেতা। তাহলে কী এবার এই ‘অযোগ্য’দের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কোনো বড় নাম সামনে আসতে চলেছে?

বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০২৪

SSC Recruitment Scam: 'মুড়ি-মিছরি আলাদা করা যায়নি', SSC মামলায় বলেছিলেন Abhijit Ganguly, এদিকে সুপ্রিম কোর্ট বলল...

গত মাসে নিয়োগে দুর্নীতির (SSC Recruitment Scam) জেরে SSC ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে এক ধাক্কায় চাকরি হারান ২৫ হাজার ৭৫৩ জন। দীর্ঘ চার মাসের শুনানি শেষে রায়দানের সময় ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি দেবাংশু বসাক তাঁর রায়ে বলেছিলেন চাল ও কাঁকর আলাদা করা যায়নি। এর আগে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও (Abhijit Ganguly) হাইকোর্টের রায়কে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেছিলেন মুড়ি-মিছরি আলাদা করা যায়নি। তাই যোগ্য-অযোগ্য সকলের চাকরি গেছে। তবে এখানেই ব্যতিক্রমী সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।


SSC Recruitment Scam: 'মুড়ি-মিছরি আলাদা করা যায়নি', SSC মামলায় বলেছিলেন Abhijit Ganguly, এদিকে সুপ্রিম কোর্ট বলল...
SSC Recruitment Scam


সুপ্রিম কোর্টে এই মানলার জল গড়ালে এখানেও আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়ে স্কুল সার্ভিস কমিশন ও রাজ্য সরকার। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি, অতিরিক্ত শুন্যপদ বানিয়ে চাকরি দেওয়ার বিষয়কে ‘সম্পূর্ণ জালিয়াতি’ বলেও মন্তব্য করেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। রাজ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্ট। তবে কোনওভাবেই হাল ছাড়তে নারাজ সর্বোচ্চ আদালত।


গত মঙ্গলবার SSC মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, নিয়োগ তালিকা থেকে কি যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করা সম্ভব? তা সম্ভব হলে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া তথা প্যানেল বাতিল করে দেওয়া ন্যায্য হবে না। এদিন শুনানির সময় সুপ্রিম এজলাসে উঠে আসে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও। চাকরিহারাদের আইনজীবী আদালতকে বলেন, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা উচিত।


SSC Recruitment Scam: 'মুড়ি-মিছরি আলাদা করা যায়নি', SSC মামলায় বলেছিলেন Abhijit Ganguly, এদিকে সুপ্রিম কোর্ট বলল...
SSC Recruitment Scam West Bengal

চাকরিহারাদের ওই আইনজীবীর দাবি, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তাকে রাজনীতিতে নামার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। তাই তার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হোক। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম না করলেও রাজ্য সরকারের আইনজীবী বলেন, একক বেঞ্চের বিচারপতি রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন। একথা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমরা মনে হয় আমাদের মামলার মূল বিষয়ে ফোকাস করা উচিত।


এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, “এই বিষয়টি যতই স্পর্শকাতর হোক বা রাজনৈতিক ভাবে ত্রুটিপূর্ণ হোক, এখানে আমাদের একমাত্র বিবেচনার বিষয় আইনি দিকটি। হাইকোর্টের বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কিছুই হাসিল হবে না”। প্রধান বিচারপতির সংযোজন, “আমাদের পৃথক রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতেই পারে, কিন্তু এখানে যা হওয়ার আইনগত ভাবেই হবে”। প্রসঙ্গত, গত শুনানিতে হাইকোর্টের চাকরি বাতিলের রায়ের ওপর স্থগিতদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৬ জুলাই।



মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০২৪

SSC Case Verdict, আপাতত চাকরি বহাল, প্রায় ২৬০০০ জনের ভাগ্য পরীক্ষা ১৬ জুলাই - ssc scam case no relief from supreme court for 26000 west bengal teachers

আপাতত চাকরি বহাল, প্রায় ২৬০০০ জনের ভাগ্য পরীক্ষা ১৬ জুলাই

সম্প্রতি SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি গিয়েছে প্রায় ২৬ হাজার জন শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীর। মঙ্গলবার এই মামলাটি ওঠে সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ মামলাটি শুনেছে। চাকরি বাতিল নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের যে রায় তাতে স্থগিতাদেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট, এমনটাই প্রত্যাশা করছিলেন চাকরিহারারা। ঠিক কী জানা যাচ্ছে?


SSC Case Verdict, আপাতত চাকরি বহাল, প্রায় ২৬০০০ জনের ভাগ্য পরীক্ষা ১৬ জুলাই - ssc scam case no relief from supreme court for 26000 west bengal teachers

SSC Case Verdict, আপাতত চাকরি বহাল, প্রায় ২৬০০০ জনের ভাগ্য পরীক্ষা ১৬ জুলাই - ssc scam case no relief from supreme court for 26000 west bengal teachers



হাইলাইটস

SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ এবং গ্রুপ সি-ডি নিয়োগের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
মঙ্গলবার সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনে সুপ্রিম কোর্ট।


SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ এবং গ্রুপ সি-ডি নিয়োগের ক্ষেত্রে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সোমবার এই মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, সময়ের কারণে তা পিছিয়ে যায়। মঙ্গলবার সমস্ত পক্ষের বক্তব্য শোনে সুপ্রিম কোর্ট।


এদিন কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়ে ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি আপাতত বহাল রাখার নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তাঁদের চূড়ান্ত ভাগ্য পরীক্ষা ১৬ জুলাই। আগামী জুলাই মাসে এই মামলার বিস্তারিত শুনানি হতে চলেছে। ১৬ জুলাই এই মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে। এদিন সংক্ষিপ্ত রায় দেন বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়।


SSC Case Verdict, আপাতত চাকরি বহাল, প্রায় ২৬০০০ জনের ভাগ্য পরীক্ষা ১৬ জুলাই - ssc scam case no relief from supreme court for 26000 west bengal teachers
SSC Case Verdict, আপাতত চাকরি বহাল, প্রায় ২৬০০০ জনের ভাগ্য পরীক্ষা ১৬ জুলাই


মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, 'কেন সুপারনিউমেরিক পোস্ট তৈরি করতে চাওয়া হয়েছিল?' এর জবাবে রাজ্য জানায়, এর নেপথ্যে রাজ্যের কোনও খারাপ অভিসন্ধি ছিল না। গত শুনানিতে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীর চাকরি বাতিলের নির্দেশে কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই মঙ্গলবারে সর্বোচ্চ আদালত ঠিক কী নির্দেশ দেয় সেই দিকে সব নজর ছিল। নিজেদের যোগ্য বলে দাবি করা চাকরিহারাদের একাংশের কথায়, সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাঁরা তাকিয়ে রয়েছেন। ন্যায়বিচারের আশা করছেন তাঁরা।


ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের এই সংক্ষিপ্ত রায়ের পর খুশির হাওয়া চাকরিহারা শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীদের মধ্যে। তাঁদের একাংশের কথায়, 'কিছু অযোগ্যদের জন্য যাতে যোগ্যদের ভুগতে না হয়। সুপ্রিম কোর্ট ন্যায় বিচার করবে এই আশা করেছিলাম। আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রায়ে আমরা স্বস্তি পেয়েছি। ১৬ জুলাইয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছি।'


এদিন সুপ্রিম কোর্টের সংক্ষিপ্ত রায়ের পর একটি টুইট করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এবং রাজ্য সরকারকে অস্থির করার জন্য BJP-র যে চেষ্টা তা খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সত্যের জয় হয়েছে। আমরা সকল প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত জনগণের পাশে দাঁড়াব। জয় বাংলা।'


এদিন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, 'চাকরি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী রায় ইতিবাচক।যোগ্য অযোগ্য নির্বিশেষে চাকরি খাওয়ার যে পৈশাচিক রাজনীতি চলছিল, তা আপাতত স্থগিত থাকল। CBI কে ইচ্ছেমত অপপ্রয়োগের যে চেষ্টা চলছিল, তাও আপাতত স্থগিতই। যারা যোগ্য, তাদের চাকরি সুরক্ষিত থাকুক। যারা অন্যায় করেছে, তারা চিহ্নিত হোক।'






বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০২৪

Calcutta High Court : দুর্নীতির জন্য ৭০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল হতে পারে! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিরাট পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের

গত সপ্তাহেই দুর্নীতির অভিযোগে বাতিল হয়েছে SSC ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) রায়ে এক ধাক্কায় চাকরি হারিয়েছেন প্রায় ২৬০০০। সেই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চলছে মামলা। এরই মাঝেই এবার ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট (Primary TET) পরীক্ষাতেও বেনিয়মের ইঙ্গিত রয়েছে বলে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Justice Rajasekhar Mantha) এজলাসে জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।


দুর্নীতির জন্য ৭০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল হতে পারে! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিরাট পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের
Calcutta High Court : দুর্নীতির জন্য ৭০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল হতে পারে

এদিন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট সংক্রান্ত তথ্য তুলে দিয়েছে সিবিআই। যেখানে নকল ওয়েবসাইট তৈরি করে নিয়োগ, ফেল করাদের পাশ করিয়ে নিয়োগ-সহ একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের নিয়োগ করা হয়েছে বলেও দাবি। অভিযোগের ভিত্তিতে এই সমস্ত বিষয়ে তদন্ত করে আদালতে তথ্য জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

LPG Price Cut: ৫০০ টাকায় গ্যাস, ২৫ লাখের ফ্রি চিকিৎসা, ৬০০০ ভাতা, ২ লক্ষ সরকারি চাকরি...

২০১৪ সালের টেটে দুর্নীতির অভিযোগে কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। মামলা দায়ের হলে সেই মামলার শুনানিতেই বিচারপতি মান্থা গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়াই খারিজ করে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। বিচারপতির নির্দেশ ছিল, সিবিআই ওএমআর শিটের আসল সঠিক তথ্য খুঁজে না পেলে ২০১৪ সালের টেট বাতিল করা হবে।


দুর্নীতির জন্য ৭০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল হতে পারে! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিরাট পর্যবেক্ষণ হাইকোর্টের
দুর্নীতির জন্য ৭০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল হতে পারে!


এদিন ১৪ সালের টেট মামলায় আরও প্রার্থী মামলায় যুক্ত হওয়ার আবেদন জানান। সকলকে মামলায় যুক্ত হওয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত। বিচারপতির নির্দেশ, মামলার পরবর্তী শুনানির আগে সব পক্ষকে হলফনামা জমা করতে হবে। আট সপ্তাহ পরে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।

News Bangla: চাঞ্চল্যকর খবর, এবার শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করল ইডি

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে চার দফায় যে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক প্রাথমিক নিয়োগ হয়েছে। এদিন হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণের পর তাদের সকলের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হবে বলেই আশঙ্কা আইনজীবী মহলের অধিকাংশের।


SIR in West Bengal: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার(SIR) শুনানি পর্ব কবে থেকে শুরু হবে তা জানালো নির্বাচন কমিশন।

রাজ্যের খসড়া তালিকা প্রকাশ করার পরে এবার ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন তথা এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্ব শুরু হতে চলেছে। SIR in West Bengal আগ...